Deleted
প্রকাশ : বুধবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম এ রিট দায়ের করেন।

তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি সিকদার মাহমুদুর রাজীর নেতৃত্বাধীন দ্বৈত বেঞ্চে রিটের শুনানি হওয়ার কথা আছে।

রিটে নির্বাহী বিভাগ থেকে নির্বাচন কমিশনের সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ অবৈধ ঘোষণা এবং ইলেক্টোরাল সার্ভিস কমিশন গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রিটে রুল চাওয়া হয়েছে এবং রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চাওয়া হয়।

রিটে বলা হয়েছে, নির্বাহী বিভাগের লোক দিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও নির্বাচন পরিচালনা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিচার বিভাগের ন্যায় স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনেরও নিজস্ব লোকবল থাকতে হবে। এর জন্য ‘ইলেক্টোরাল সার্ভিস কমিশন’ গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে।

রিটে আরও বলা হয়েছে, সংবিধান অনুসারে নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাহী বিভাগ নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। কিন্তু সংবিধান লঙ্ঘন করে প্রতিটি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগকে দেওয়া হয়।

নির্বাহী বিভাগ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের চাহিদা মোতাবেক নির্বাচন পরিচালনা করে। ফলে নির্বাচন নিয়ে নানামুখী বিতর্ক তৈরি হয়।

বর্তমানে নির্বাহী বিভাগ তাদের আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা ও দায়িত্ববোধ হারিয়ে ফেলেছে। তাদের দ্বারা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে এটা কেউ বিশ্বাস করে না। এ অবস্থায় নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব লোকবল থেকে সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে।

পরে অ‍্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ডিসিদের সঙ্গে নির্বাচনের বিষয়ে মতবিনিময় করছেন এবং তাদের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়। তাদের আবারও নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দিলে আরেকটি প্রভাবিত নির্বাচন হবে সেটা নিশ্চিত।

তিনি বলেন, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হবে এবং নির্বাচন কমিশনের সচিবকে অপসারণ করতে হবে। না হলে নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত নিরপেক্ষ নির্বাচন আদৌ সম্ভব নয়।

আইএ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মনোনয়নপত্র জমার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন

1

ঢাকায় পৌঁছেই সরাসরি এভারকেয়ারে যাচ্ছেন জুবাইদা রহমান

2

ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই নির্বাচন করছি না: নাহিদ ইসলাম

3

সাংবাদিক ও সোর্সের আড়ালে ‘আওয়ামী ক্যাডার’ ফরহাদ: সাতক্ষীরায়

4

ইলিয়াস হোসেনের ফেসবুক পেজ সরিয়ে দিল মেটা

5

'মার্চ টু হাইকমিশন' কর্মসূচি শুরু, ভারতীয় প্রক্সি ষড়যন্ত্র

6

খালেদা জিয়ার শেষ যাত্রায় লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা

7

পরিবেশ সূচকে উন্নতি রাতারাতি সম্ভব নয়, ধারাবাহিকতা প্রয়োজন:

8

জয় বাংলা বলে কিশোরগঞ্জে মধ্যরাতে গ্রামীণ ব্যাংকে আগুন

9

হল ছাড়তে শুরু করেছেন ঢাবির আবাসিক শিক্ষার্থীরা

10

ডনবাসকে নিরস্ত্রীকরণ অঞ্চল গঠনের প্রস্তাব জেলেনস্কির

11

এআই ও বৈদ্যুতিক গাড়ি এখন লাভজনক : শাওমি

12

মানিকগঞ্জে রাতের আধাঁরে শারফিন মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা

13

দিল্লিতে হামলার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই: পররাষ্ট্র

14

তফসিল রেকর্ডের জন্য বিটিভি-বেতারকে ইসির চিঠি

15

বিএনপি ছেড়ে চরমোনাই পীরের দলে দৌলতুজ্জামান আনসারী

16

বিএনপির জন্য পরিবার 'ত্যাগ', ধানের শীষ পেলেন সেই শ্রাবণ

17

হলফনামায় হান্নান মাসউদের মোট সম্পদের পরিমাণ ৯৮ লাখ টাকা

18

ঐকবদ্ধ না হলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে: তারেক রহমান

19

শুরু হচ্ছে আইসিটি বিভাগের সহযোগিতায় 'ফ্রিল্যান্স ফোকাস' প্

20
সর্বশেষ সব খবর