বুধবার, সেপ্টেম্বর ২২

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নভঙ্গ। নাগরিক প্রতিক্রিয়া- আবু মহী উদ্দীন

বিশ্বে যা কিছু ঘটেনি তার অনেক বিষয় ঘটে বাংলাদেশে। এসবের কৃতিত্ব কাকে দিব ? বঙ্গবন্ধু কন্যা জাতির কান্ডারী শেখ হাসিনাকে অবশ্যই। দুঃখী মানুষের জন্য মন কাঁদতো রাজনীতির জোতিষ্ক শেখ মুজিবের। তারই তো উত্তরসুরি শেখ হাসিনা।

তারই রক্তধারার উত্তরাধিকার পিতার গুণ পাবেন সেটাইতো স্বাভাবিক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আর কি কি বিশেষনে ভুষিত করা যায় , আরো তো বাঁকী আছে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের ৫ জন সৎ নেতার একজন। এটা জাতি হিসাবে কত গর্বের , যাদের গর্ব বোধ করার মতো অনভুতি আছে তারা বুঝবে। জাতি হিসাবে আমরা অবশ্যই গর্ব করে বলতে পারছি সৎ নেতার নেতৃত্বে আমরা বাঙ্গালী।

ভাববার বিষয় , মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবর্ষে , স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশের সকল গৃহহীনদের ঘর দেওয়া শুরু করেছেন। শুধু যে ঘর তাই নয় ,খুবই পরিকল্পিত ভাবে জমি সহ ঘর। যেখানে শহরের অধিকাংশ নাগরিক সুবিধা থাকবে। দুনিয়ার আর কোথাও এ রকম যুগান্তকারী মানবিক ঘটনা ঘটেছে বলে আমাদের জানা নাই।

দেশের গৃহহীন পরিবারগুলোকে সরকারি খাস জমিতে টিনের ছাউনি পাকা ঘর নির্মান করে দেওয়ার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মসুচিকে অনেকের কাছে ঐতিহাসিক মনে হয়েছিল। কিন্তু ঘর নির্মানের প্রথম বর্ষায়ই ঘরগুলো ভেঙ্গে পড়তে শুরু করায় যে সত্যটা ফুটে উঠেছে তা হলো দুর্ণীতির সর্বগ্রাসী বিস্তারের প্রেক্ষাপটে আমলাদের প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে এই নির্মান যজ্ঞ  যে মুখ থুবরে পড়বে সেটা প্রধানমন্ত্রী অনুধাবন করতে পারেননি। দেশের প্রান্তিক অবস্থানের গৃহহীন জনগোষ্ঠী দানের ঘরগুলোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অয¯্র  শোকরিয়া জানিয়েছিল , সর্বনাশা দুর্ণীতির তান্ডবে তাঁর সদিচ্ছা নস্যাৎ হতে দেখে তারাও নিশ্চয়  হতবাক।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সম্মান দেখিয়েও তো এই প্রকল্প থেকে টাকা চুরি না-ই বা করলাম। বিশ্বের সেরা ৫ সৎ মহিলার ১জন আমার দেশের প্রধানমন্ত্রী , এ বিষয়ে  সম্মান দেখিয়ে টাকা বাঁচানোর বা চুরি করার চেষ্টা না করাই কাম্য। কিন্তু চোরে না শোনে  ধর্মের কাহিনী। এসব করা তাদের সহজাত প্রবৃত্তি। আমরা দেশের মানুষ ,আমাদের দাবী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অপরাধী করার জন্য যারা সাহস দেখিয়েছে , বছরের পর বছর তদন্ত হবে , বছরের পর বছর মামলা হবে , বিভাগীয় মামলা হবে , জামিন হবে , ম্যানেজ হবে , অবশেষে বেকসুর খালাস হবে , ও সব চলবেনা।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিশাল কর্মযজ্ঞের হিসাবের খাতায় ক্ষুদ্র অংশে ত্রুটি দেখা দিলেও যারা এই ত্রুটির জন্য দায়ী এবং দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন প্রায় এক কোটি ২০ হাজার বাড়ির মধ্যে ২৪টি স্থানের নির্মাণ কাজের ত্রুটি গণমাধ্যমে উঠে এসেছে, যা বাস্তবায়িত  প্রকল্পের ০.২৫ ভাগ। ত্রুটিপূর্ণ যে ০.২৫ ভাগ স্থাপনা চিহ্নিত হয়েছে তা সরকারি খরচে মেরামত এবং প্রয়োজনে পুর্ননির্মাণ করা হবে। এসব গৃহ সরকারি খাস জমিতে নির্মিত হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে খাস ভূমিসহ তুলনামূলক নিচু স্থানে হওয়ায় স্থাপনাসমূহ ক্ষতিগ্রস্থ  হয়েছে। এসব সরকারি খরচে মেরামত বা পুন;নির্মান করা হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এই প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি মহৎ উদ্যোগ এবং গভীর আবেগ ও ভালোবাসার কর্মসূচি

আমাদের আশংকা , এসব যেন কথার কথা না হয়। লক্ষণও সেরকম মনে করার মতো কারণের জন্ম হয়েছে। ঘর বানানোর সময় তদারকি করলে এই দুর্ঘটনা টা ঘটতোনা। এখন নুতন ঘর কেন ভাঙ্গলো এ সব নিয়ে তো গবেষণা বা তদন্তের কি আছে। খুবই সাধারণ হিসাব ,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *